শিরোনাম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো: আখতারুজ্জামান সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণ প্রক্রিয়া নিয়ে বলতে গিয়ে যথারীতি তালগোল পাকিয়েছেন। গত ৪ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হল অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে।
উপাচার্য তার বক্তব্যে বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণের কথা উল্লেখ করে মন্তব্য করেন, “ছেলে কি মেয়ে হবে সেটা নির্ধারণ করবে নারীর ক্রোমোজোমে।” তবে প্রকৃতপক্ষে বিজ্ঞানের বিশ্লেষণ অনুসারে উপাচার্য ঠিক উল্টো তথ্য দিয়েছেন। কেননা পিতার ক্রোমোজোমে নির্ধারিত হয় সন্তানের লিঙ্গ ছেলে নাকি মেয়ে হবে।
হলের ২৮তম “সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী এবং স্বর্ণপদক, বৃত্তি প্রদান ও স্মারক বক্তৃতা-২০১৭,২০১৮” অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় উপাচার্য নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে কথা বলেন। সন্তান ছেলে হবে নাকি মেয়ে হবে সেটি কার উপর নির্ভর করে এ বিষয়ে বলতে যেয়ে উপাচার্য বিভ্রান্তিতে পড়েন।
বাংলা রানারের হাতে আসা একটি অডিও ক্লিপস থেকে পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হল- “(কেউ একজন) শুরুতেই একটি কথা বলেছেন যে- জোড় সংখ্যা এবং বিজোড় সংখ্যা। জোড় সংখ্যাটি আরোহণ করা হয় পুরুষের ক্ষেত্রে এবং বিজোড় আরোহণ করা হয় নারীর ক্ষেত্রে। এবং এটি করা হয়েছে অবজ্ঞাসূচক। সেখানে একটি সায়েন্টিফিক এনালাইসিস আছে। আমি বসে বসে ভাবতেছিলাম। সেটি হল মানুষের দেহে ২৩ জোড়া ক্রোমোজোম থাকে।
বিজ্ঞানের ছাত্র যারা তারা জানে। সেটির ধরণ হল XX, YY. নারীর মধ্যে যেটা থাকে সেটা হল XY. ছেলে কি মেয়ে হবে সেটা নির্ধারণ করবে নারীর ক্রোমোজোমে। ফলশ্রুতিতে নারীর থেকে X আসবে না Y আসবে তার ওপর নির্ভর করে। ফলশ্রুতিতে নারীর এখানে (অস্পষ্ট)। নারী হল সবচাইতে সৃষ্টি এবং শক্তিশালী .....। এটি কিন্তু আমরা ভুলে যাই।
তা তোমরা যারা বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী আছ তারা কিন্তু এই ব্যাখাটা দিতে সক্ষম হবে। (অস্পষ্ট)...শিশুটি ছেলে না মেয়ে হবে এটি কিন্তু নির্ধারণ করবে নারী। নারী বরংচ ....কারণ নারীর মধ্যে আছে জোড়া সংখ্যক ক্রোমোজোম। তার জেনেটিক বৈশিষ্ট্য জোড়া।
কিন্তু পুরুষ থেকে নির্ধারিত হবে X আসবে না Y আসবে। ফলশ্রুতিতে এখানে যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে সেটা হল নারী। নারী কিন্তু দুটিকে সমানভাবে ধারণ করে। অর্থাৎ সে নারী হোক পুরুষ হোক... এ দুটো গুণেরই নারী সংরক্ষণ করে।
ফলশ্রুতিতে এটির একটি ভাল ব্যাখ্যা, যারা বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী আছ তোমরা এটা ঠিকমত উপস্থাপন করতে পারবে যে, নারী এবং পুরুষের মাঝে যে বিভাজনটি সেটি পুরুষ করে থাকে। নারী এবং পুরুষের মধ্যে বিভাজন কোন মেয়ে করে থাকে না। কেননা মেয়ের মধ্যে ক্রোমোজোমের জোড় সংখ্যাটি আছে। সুতরাং জোড় সংখ্যাটি যদি কারো উপর আরোপ করতে হয় তাহলে সেটি নারীদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। সেটি আমাদের ধারণা। এবং এটি হল একটি বৈজ্ঞানীক ব্যাখ্যা।”
আরও পড়ুন আপনার মতামত লিখুন
??????? ?????? ??? ??? ???
???????????? ?????????????? ??????? ?? ???? ???? ???!
???? ????? ???? ???? ??????? ???? ??? ??????????
???? ??? ???? ?????? ????? ??? ??? ?????? ??????? ???????
??????? ?????????
?????????? ?? ?????
??????? ?????????????? ?????? ???????????? ?????????? ??????? ?????????????
?????? ???????? ???? ??????
???????? ??? ?????, ????????? ????????? ???? ??? ?????
?????? ????? ?????? ???? ???? ?????
??????? ?????? ??? ??? ???
???????????? ?????????????? ??????? ?? ???? ???? ???!
???? ????? ???? ???? ??????? ???? ??? ??????????
???? ??? ???? ?????? ????? ??? ??? ?????? ??????? ???????
??????? ?????????
?????????? ?? ?????
??????? ?????????????? ?????? ???????????? ?????????? ??????? ?????????????
?????? ???????? ???? ??????
???????? ??? ?????, ????????? ????????? ???? ??? ?????
?????? ????? ?????? ???? ???? ?????