চার বছরের অনার্স কোর্স সাত বছরেও পাশ করতে না পারা নিয়ে নিজের মন্তব্য জানিয়েছেন ডাকসুর এজিএস ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন। ৩০ মে, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে বাংলা রানারকে সাদ্দাম হোসেন বলেছেন, “এটি আমার ব্যক্তিগত একাডেমিক বিষয়। তার মানে এটা স্বাভাবিক একটা প্রক্রিয়া। একাডেমিক জীবন আমার স্বাভাবিক ভাবেই চলছে। এ নিয়ে প্রশ্ন করার কিছু নেই”।
বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মানুযায়ী চার বছরের অনার্স (স্নাতক সম্মান) কোর্স সর্বোচ্চ ছয় বছরের মধ্যে শেষ করার বাধ্যবাধকতা থাকলেও আইন বিভাগের ২০১১-১২ সেশনের ছাত্র সাদ্দাম হোসেনের ক্ষেত্রে তার ব্যত্যয় ঘটেছে। সাত বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো তিনি তৃতীয় বর্ষেই রয়ে গেছেন।
এ বিষয়ে দেশের প্রথম সারির বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচার হওয়ার পর এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সামালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। মোঃ জাহিদ হোসেন নামে একজন ফেসবুকে লিখেছেন, ‘‘কথিত মেধাবী থেকে জাতি কেবল ‘সহমত ভাই’ পায়। সাদ্দাম হোসেনের মতো পরিবর্তনের হাতিয়ার আর পায়না। কাজেই, একজন সাদ্দাম ভাই ছাত্রজীবনে রেজাল্ট কত ভালো, তার থেকে স্মরণীয় হয়ে থাকবে তার স্বপ্নের জন্য। ঠুনকো কারণে থানায় আটকে গেলে সাদ্দাম হোসেনকে ডাকবেন নাকি ক্লাসের ফার্স্ট বয়কে ডাকবেন?’’
অন্যদিকে শিরিন আফরোজ নামে একজন লিখেছেন, ‘‘নেতাদের নেতৃত্বের সবচেয়ে বড় কোয়ালিটি লেখাপড়ায় ভাল করা। রাজনীতি মানে এই নয় যে, লেখাপড়া ছেড়ে সারাদিন মিছিল মিটিং করা। শিক্ষার্থীদের নেতার এই অবস্থা হলে, শিক্ষার্থীরা কাকে দেখে অনুপ্রাণিত হবে?”
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাদ্দাম হোসেনের অনুসারীরা বলছেন, ‘‘একাডেমিক রেজাল্টই সব নয়।’’ অন্যদিকে তৌহিদুর রহমান নামে এক শিক্ষার্থীর পাল্টা মন্তব্য হল, ‘‘রেজাল্ট ফ্যাক্টর না। তবে ৭ বছরে ৩য় বর্ষ পাস না করা ফ্যাক্টর বটে। নয় কি?”