রমযানের ফরজ রোজার ত্রুটি দূর করে এই রোজা

শাওয়াল মাসের ৬ রোজা কেন ও কিভাবে পালন করব?

রানার ডেস্ক
শুক্রবার, ১৪ জুন ২০১৯


শাওয়াল মাসের গুরত্বপূর্ণ একটি আমল হচ্ছে ‘ছয় রোজা’। রমজানের ফরজ রোজা পালনের পর শাওয়ালের ছয় রোজা রাখা মুস্তাহাব। এই রোজার অনেক ফজীলত রয়েছে। মহানবী (সাঃ) বলেছেন, ‍‌“যে ব্যক্তি রমজান মাসে ফরজ রোজা পালন করল, অতঃপর শাওয়াল মাসে আরো ছয়দিন রোজা পালন করল, সে যেন সারা বছর রোজা রাখল” (সহিহ মুসলিম)।

শাওয়ালের রোজার উপকারিতা: এ রোজা ফরজ নামাজের পর সুন্নাতে মুআক্কাদার মতো। যা ফরজ নামাজের উপকারিতা ও তার অসম্পূর্ণতাকে পরিপূর্ণ করে। অনুরূপভাবে শাওয়াল মাসের ৬ রোজা রমযানের ফরজ রোজার অসম্পূর্ণতাকে দূর করে। রমজানের রোজায় কোনো ত্রুটি ঘটে থাকলে তা দূর করে এই রোজা। তাছাড়া রমযানের ফরজ রোজা পালনের পরপর পুনরায় রোজা রাখার মানেই হলো রমজানের রোজা কবুল হওয়ার একটি লক্ষণ। উলামাগণ বলে থাকেন, ‘নেক কাজের ছাওয়াব হলো, তার পরে পুনরায় নেক কাজ করা। (আহকামিস সিয়াম)

শাওয়ালের রোজা রাখার সময়: ঈদের পরের ৬ দিন শাওয়ালের রোজা রাখার উত্তম সময়। কারণ তাতেই রয়েছে নেক আমলের প্রতি ধাবিত হওয়ার প্রমাণ। আর এ কথাই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি রমযানের রোজা রাখার পরে-পরেই শাওয়াল মাসে ছয়টি রোজা পালন করে। তবে সে যেন সারা বছরই সিয়াম বা রোজা পালন করল” (তিরমিজি)। 

এ কারণেই একদল আলেম এই ছয়দিনের রোজাকে মুস্তাাহাব বলেছেন। হযরত ইব্নে মুবারাক বলেন, প্রতিমাসের তিন দিন রোজা রাখার মতো শাওয়ালের ছয় দিন রোজা রাখাও ভালো আমল। শাওয়ালের রোজা ধারাবাহিকভাবে রাখা ফজিলতপূর্ণ। তবে লাগাতার না রেখে বিচ্ছিন্নভাবে রাখলেও চলবে। শাওয়াল মাস চলে গেলে তা কাযা করা জরুরি নয়।