কক্ষ থেকে ডেকে নিয়ে নির্যাতনে হত্যা:

ফাহাদ শিবির করতো দাবি জিজ্ঞাসাবাদে জড়িত ছাত্রলীগ নেতার

ঢাবি প্রতিনিধি
সোমবার, ০৭ অক্টোবর, ২০১৯


নির্যাতনে নিহত ছাত্র আবরার ফাহাদ শিবির করতেন বলে দাবি করেছেন বুয়েট ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক আশিকুল ইসলাম বিটু।

কক্ষ থেকে ডেকে নিয়ে ফাহাদকে জিজ্ঞাসাবাদ করার সময় উপস্থিত থাকা ছাত্রলীগ নেতা বিটু বলেন, ‘ফাহাদকে শিবির সন্দেহে রাত ৮টার দিকে হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে ডেকে আনা হয়। সেখানে আমরা তার মোবাইলে ফেইসবুক ও মেসেঞ্জার চেক করি। ফেইসবুকে বিতর্কিত কিছু পেজে তার লাইক দেওয়ার প্রমাণ পাই। সে কয়েকজনের সঙ্গে যোগাযোগও করেছে। তার শিবির সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাই।’

আশিকুল ইসলাম বিটু জানান জিজ্ঞাসাবাদের সময় সময় তার সঙ্গে আরো উপস্থিত ছিলেন বুয়েট ছাত্রলীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক ও কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মুজতবা রাফিদ, উপ-সমাজসেবা সম্পাদক ইফতি মোশাররফ সকাল এবং উপ-আইন সম্পাদক অমিত সাহা। 

‘শিবির সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়ার পরে চতুর্থ বর্ষের ছাত্রলীগ নেতাদের খবর দেওয়া হয়। এরপরে বুয়েট ছাত্রলীগের ক্রীড়া সম্পাদক মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অনিক সরকার সেখানে আসলে আশিকুল ইসলাম বিটু ২০১১ নম্বর কক্ষ থেকে বের হয়ে যান এবং গভীর রাতে ফাহাদের মৃত্যুর খবর জানতে পারেন বলে দাবি করেন।

পুলিশ ও মেডিকেল সূত্রে জানা গেছে, ফাহাদের গায়ে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। নিহত ফাহাদ বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস বিভাগের ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শেরে বাংলা হলে থাকতেন। 

তার পিতার নাম বরকত উল্লাহ। তিনি কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার রায়ডাঙ্গার গ্রামের বাড়ি থেকে রোববার ঢাকায় ফেরেন। আর রোববার দিবাগত রাতেই নির্যাতনের মুখে মৃত্যু হয় তার।