শিরোনাম৪ দফা দাবি আদায়ে
এবার আমরণ অনশন শুরু করেছেন ‘ছাত্রলীগের পদবঞ্চিতরা’। চার দফা দাবি পূরণে আওয়ামী লীগ কিংবা ছাত্রলীগের দায়িত্বশীল পর্যায় থেকে কোনো আশ্বাস না পেয়ে তারা নতুন এই কর্মসূচি দিয়েছে। এক মাস তিন দিনের অবস্থান কর্মসূচির পালনের পর ২৮ জুন, শুক্রবার দুপুর ২টা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে তারা আমরণ অনশনে বসেন। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এ কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন বলে জানান তারা।
এর আগে বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলন করে দাবি মানতে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছিলেন ছাত্রলীগের কমিটিতে পদবঞ্চিত ও প্রত্যাশিত পদ না পাওয়া অংশের সদস্যরা। তবে এই সময়ের মধ্যে দাবির পক্ষে কোনো আশ্বাস না মেলায় তারা আমরণ অনশন কর্মসূচি শুরু করেন। তাদের ৪টি দাবি হল- প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ; ছাত্রলীগের কমিটির যে ১৯ জনবিতর্কিত নেতার পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে তাদের পদ ও নাম প্রকাশ; কমিটিতে যত বিতর্কিত রয়েছে, সবার পদ শূন্য ঘোষণা; পদবঞ্চিতদের মধ্যে যোগ্যতার ভিত্তিতে শূন্যপদগুলোতে পদায়ন এবং মধুর ক্যান্টিন ও টিএসসিতে হামলার সুষ্ঠু বিচার।
ছাত্রলীগের পদবঞ্চিত ও প্রত্যাশিত পদ না পাওয়া অংশের মুখপাত্র গত কমিটির কর্মসূচী ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক রাকিব হোসেন বলেন, আওয়ামী লীগ বা ছাত্রলীগের দায়িত্বশীল কোনো পর্যায় থেকে দাবি পূরণের কোনো আশ্বাস না পাওয়ায় আমরা আমরণ অনশন শুরু করেছি। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের কর্মসূচি চলবে।
অনশনের বিষয়ে জানতে চাইলে সাবেক সমাজসেবা সম্পাদক রানা হামিদ বলেন, বিগত সময় গুলোতে যারা সক্রিয় ভাবে ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল, তাদের একটি বৃহৎ অংশকে বাদ দিয়ে মূল্যায়ন না করে নিষক্রীয়, চাকরিজীবী,বিবাহিত, অছাত্র, গঠনতন্ত্রের উল্লেখিত অধিক বয়স্ক, বিভিন্ন মামলার আসামি, মাদকসেবী, মাদক ব্যবসায়ী, অপকর্মের দায়ে ছাত্রলীগ থেকে আজীবন বহিষ্কৃত বা বিতাড়িতসহ নানা অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের পদ দেয়া হয়েছে। আমরা চার দফা দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত অনশন চালিয়ে যাবো।
গত ১৩ মে ৩০১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করে ছাত্রলীগ। ৩০১ সদস্যের এ কমিটির শতাধিক নেতার বিরুদ্ধে গঠনতন্ত্র লঙ্ঘন করে পদ পাওয়া এবং বিভিন্ন অন্যায়, অপকর্ম ও অনুপ্রবেশের অভিযোগ ওঠে। নতুন কমিটির সদস্যদের মধ্যে হত্যা মামলার আসামি থেকে শুরু করে বিবাহিত, বিএনপি-জামায়াত সংশ্লিষ্টতা, মাদক গ্রহণ ও ব্যবসা, চাকরিজীবীর নাম আছে। কমিটি ঘোষণার দিনেই এ বিতর্কিতদের বাদ দেয়ার দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন প্রায় অর্ধশত নেতা। সর্বশেষ কমিটির এসব নেতা নিজেদের পদায়নের দাবিও জানান। এরপর মধুর ক্যান্টিন ও টিএসসিতে তাদের ওপর দু’দফায় হামলা করে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীরা।
১৫ মে আন্দোলনের মুখে ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ১৭ জন বিতর্কিত নেতার নাম প্রকাশ করেন। তাদের বিরুদ্ধে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তথ্য-প্রমাণ সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করে পদগুলো শূন্য হবে বলে ঘোষণা দেন। কিন্তু ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদগুলো শূন্য ঘোষণা করেননি। তারা ২৮ মে দিবাগত রাত ১টায় সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ১৯টি পদ শূন্য ঘোষণা করেন।
তবে শূন্যপদের নাম বা ব্যক্তির নাম ঘোষণা করেনি। তখন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা দেশের বাইরে ছিলেন। দেশে ফিরলে এ বিষয়ে চ‚ড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলেও ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে জানানো হলেও তা করা হয়নি।পরবর্তী সময়ে গত ২৭ মে পূর্ণাঙ্গ কমিটির বিতর্কিতদের নিয়েই ধানমন্ডি-৩২-এ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি দেয় ছাত্রলীগ। এর প্রতিবাদে ২৬ মে দিবাগত রাত ১টা থেকে ফের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন তারা।
আরও পড়ুন আপনার মতামত লিখুন
??????? ?????? ??? ??? ???
???????????? ?????????????? ??????? ?? ???? ???? ???!
???? ????? ???? ???? ??????? ???? ??? ??????????
???? ??? ???? ?????? ????? ??? ??? ?????? ??????? ???????
??????? ?????????
?????????? ?? ?????
??????? ?????????????? ?????? ???????????? ?????????? ??????? ?????????????
?????? ???????? ???? ??????
???????? ??? ?????, ????????? ????????? ???? ??? ?????
?????? ????? ?????? ???? ???? ?????
??????? ?????? ??? ??? ???
???????????? ?????????????? ??????? ?? ???? ???? ???!
???? ????? ???? ???? ??????? ???? ??? ??????????
???? ??? ???? ?????? ????? ??? ??? ?????? ??????? ???????
??????? ?????????
?????????? ?? ?????
??????? ?????????????? ?????? ???????????? ?????????? ??????? ?????????????
?????? ???????? ???? ??????
???????? ??? ?????, ????????? ????????? ???? ??? ?????
?????? ????? ?????? ???? ???? ?????