ছাত্রলীগ নেতা ফারিজ খানের নির্দেশনায়
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হচ্ছে ১৪তম জাতীয় নাট্যোৎসব।আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিশ্বিবদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) ও নাট্যমন্ডল মিলনাতয়নে চলবে এ নাট্যোৎসব।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফর্মেন্স স্টাডিজ বিভাগের ব্যবস্থাপনায় ১০ দিনে দুটি পর্বে মোট ১৬টি নাটক মঞ্চস্থ করা হবে। আগামী ১ ডিসেম্বর সন্ধা ছয়টায় নাট্যোৎসবের উদ্বোধন করবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।
উদ্বোধনী দিন সন্ধা ৬টায় সলিমুল্লাহ মুসলিম হল শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম–সাধারণ সম্পাদক ফারিজ খানের নির্দেশনায় নাট্যকার মুনীর চৌধুরীর একতালা-দোতালা নাটকটি মঞ্চস্থ হবে। ফারিজ খান থিয়েটার এন্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী। নাটকটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করবেন-আবতাহি সাদমান ফাহিম,জয়া কস্তা, প্রাণ কৃষ্ণ বণিক এবং মৌমিতা সরকার।
নাটকটির নির্যাসে বলা হয়েছে, বিখ্যাত নাট্যকার মুনীর চৌধুরীর অসাধারণ একটি নাটক একতালা-দোতালা। নাটকের প্রধান চরিত্র বশির। তিনি পেশায় একাধারে ডাক্তার,ইলেকট্রেশিয়ান,লেখক এবং পাশাপাশি শাক-সবজির বাগান করেন। এক ভাগ্নে ও এক আর্দালিকে নিয়ে একটা বাসার একতালাতে ব্যাচেলর জীবনযাপন। একটি মেয়ের সাথে বিয়ের কথাবার্তা পাকাপাকি, মেয়েটি এ বাসার দোতালার বাসিন্দা। নাটকের শুরুতেই আয়েশা নামে এক নারী গবেষণা মূলক জরিপের জন্য বশিরকে বিভিন্ন ধরনের অদ্ভুত প্রশ্ন করে। এতে বশির ধীরে ধীরে বিরক্ত হয়ে পরে। এক পর্যায় বাতাসে বাড়িটির দোতালা থেকে একতালার বারান্দায় একটি শাড়ি উড়ে আসায়। তা নেয়ার জন্য এক ভৃত্য আসে।
এমতাবস্থায় ভৃত্য বশির এবং আয়েশাকে নির্জন রুমে দেখে শাড়ির মালিক বশিরের বাগদত্তাকে কানপোড়া দেয়।তার কিছুক্ষণ পরেই বশিরের আপা ও দুলাভাই দরজায় কড়া নারে। কিন্তু বশির ভাবে দোতালা থেকে শাড়ির মালিক এসেছে। তাই বশির দরজা খুলতে চায় না। কিন্তু পরমুহূর্তে আয়েশা দরজা খুলে দেখে দুলাভাইকে। আয়েশা চলে যায়। এ রকম গল্প দিয়েই নিমার্ণ করা হয়েছে নাটকটি।
নাটকটির বিষয়ে ফারিজ খান বলেন, ১৪ ডিসেম্বর পাক হানাদার বাহিনী আমাদের দেশের যেসকল বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করেছে তাদের মধ্যে বিখ্যাত এই নাট্যকারও ছিলেন। তার স্বরণে আমি ১ ডিসেম্বর তার একটি নাটক "একতালা-দোতালা" দর্শকের কাছে উপস্থাপন করছি। গত দেড় মাস রিহার্সাল করার পর দর্শকের কাছে নাটকটি নিয়া আসা হচ্ছে। আমি একজন নবীন নির্দেশক হিসাবে সকলকে আহ্বান করছি মুনীর চৌধুরীর স্বরণে সকলেই নাটকটি দেখতে আসুন। কেননা থিয়াটার এমন একটি জায়গা যেখানে আপনি নতুন করে বাঁচতে শিখবেন।